এফ-৩৫ লাইটনিং-২ জেট ফাইটারের প্রযুক্তি সরবারাহকারী দেশ তুরষ্ক

তুরস্ক মাল্টিনেশন এফ-৩৫ লাইটনিং-২ সুপার স্টিলথ জেট ফাইটার প্রজেক্টের অন্যতন সদস্য এবং প্রযুক্তি সরবরাহকারী দেশ। এ প্রজক্টে তুরস্কের সরাসরি বিনিয়োগের পরিমান প্রায় ২.০০ বিলিয়ন ডলার। তাছাড়া তুরস্ক খুব সম্ভবত এফ-৩৫ জেট ফাইটারের ল্যাণ্ডিং গিয়ার, ফিউস লেজ, ককপিট ডিসপ্লের উচ্চ প্রযুক্তি নির্ভর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইসসহ নয় শতাধিকের উপর যন্ত্রাংশ, ডিভাইস এবং পার্টস নিজস্ব ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাবে উৎপাদন ও মার্কিন লকহীড মার্টিন কর্পোরেশনের এফ-৩৫ এর প্রডাকসন লাইনে সরবরাহ করে থাকে।

তাছাড়া এফ-৩৫ স্টিলথ জেট ফাইটারের এয়ার টু সারফেস এবং এন্টিশীপ মিসাইল হিসেবে তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তির তৈরি ১৮৫ কিলোমিটার পাল্লার এসওএম-জে স্ট্যাণ্ড অফ ক্রুজ মিসাইলটিকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। তবে এসওএম-জে সিরিজের স্ট্যাণ্ড অফ ক্রুজ মিসাইলটি তুরস্কের নিজস্ব ডিজাইনের এন্টিশীপ ক্রুজ মিসাইল হিসেবে মনে করা হলেও এটি কিন্তু মার্কিন লকহীড মার্টিন কর্পোরেশন এবং এবং তুরস্কের রকেটসান কর্পোরেশন যৌথভাবে ডিজাইন, উন্নয়ন, উৎপাদন এবং বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

অন্যদিকে তুরস্কের রকেটসান তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির এসওএম-এ, এসওএম-বি১ এবং এসওএম-বি২ সিরিজের এডভান্স স্ট্যাণ্ড অফ ক্রুজ মিসাইল তৈরি করে এবং তুর্কী বিমান বাহিনীর এফ-১৬ ব্লক-৫০ জেট ফাইটারে ব্যাবহার করে থাকে।

সর্বশেষ

সামরিক সম্পর্ক জোরদারে তুরস্ক সফরে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর প্রতিনিধিদল

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শামীম কামাল এর নেতৃত্বে Armed force war course 2022 এর ২৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল Overseas study tour (OST) এ তুরস্ক...

নিরাপত্তা পরিষদে মায়ানমার ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে যুক্তরাজ্য

রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির লড়াইয়ের জেরে দুই দেশের সীমান্তের উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্য বলেছে,...

কাউকে কাউন্ট করি না, আমরা সবসময় প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বারবার মর্টারের গোলা পড়ার ঘটনার প্রেক্ষাপটে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন...

মেয়েদের জন্য দাঁড়িয়ে পথে পথে চেনা মুখগুলি

মঙ্গলবারেই জানানো হয় বিমানবন্দর থেকে বনানী- মহাখালী- বিজয় সরণী হয়ে সাত রাস্তা-মগবাজার হয়ে বাফুফে যাবে মেয়েরা। সেই অনুযায়ী যার যার মতো করে দাঁড়িয়েছিলেন সবাই।...