সাম্প্রতিক শিরোনাম

হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব কে পেল তাতে ইরানের কিছু যাবে আসবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনা আবহের মাঝেই আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। কে হতে চলেছেন আমেরিকার ৫৯তম রাষ্ট্রপতি? এনিয়ে শুধু আমেরিকায়ই নয়, গোটা বিশ্বেই চলছে তুমুল জল্পনা।

hiastock

তবে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ইরান বলছে ভিন্ন কথা। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা কে কি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা তেহরানের জন্য মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়।

নির্বাচনের পর হোয়াইট হাউস ইরানের সঙ্গে কেমন আচরণ করবে সেটাই মূলত দেখার বিষয়।

গুগল এডস

সিবিএসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বা জো বাইডেনের মধ্যে ইরান কাউকেই প্রাধান্য দিচ্ছে না উল্লেখ করে জাভেদ জারিফ বলেন, আমেরিকা যদি ইরানের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক তৎপরতা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় সেটা হবে তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেক্ষেত্রে হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব কে পেল তাতে ইরানের কিছু যাবে আসবে না।

ইরান তার পরমাণু সমঝোতা নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আরেকবার আলোচনা করবে না বলেও পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জো বাইডেন ভালো করেই জানেন যে, তিনি নির্বাচিত হলেও ইরান পরমাণু সমঝোতা নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আরেকবার আলোচনায় বসবে না।

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব নিষেধাজ্ঞায় ইরানের ক্ষতি হয়েছে ঠিকই কিন্তু আমেরিকা ইরানে যে রাজনৈতিক পরিবর্তন চেয়েছে তা তারা করতে পারেনি।

ইরান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে অভিযোগ করছে সে সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে জারিফ বলেন, ট্রাম্প হচ্ছেন একমাত্র ব্যক্তি যিনি আমেরিকার নির্বাচনি ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং এই ব্যবস্থার চরম অবমাননা করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ইরান ও রাশিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের তথ্য রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের হুমকি দিয়ে মেইল পাঠানোর পেছনে ইরানের হাত রয়েছে। দেশটির পাশাপাশি রাশিয়ার কাছেও যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের তথ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ জানান, ওই ইমেইলগুলো কট্টর ডানপন্থী গ্রুপের আদলে এসেছে। জন র‌্যাটক্লিফের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছিলেন এফবিআইয়ের পরিচালক ক্রিসটোফার রে।

এদিকে ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের মতো অন্য কোনো দেশের নির্বাচনে তেহরান হস্তক্ষেপ করে না।

সর্বশেষ খবর

জনপ্রিয় খবর

hiastock