সাম্প্রতিক শিরোনাম

ঈদ ঘিরে যে পরিস্থিতি হবে, সেটা গত ১২-১৩ দিনের অর্জনকে ম্লান করে দিবে

এখনো সংক্রমণ বাড়ছে তো বাড়ছেই। মৃত্যুও প্রায় একই পর্যায়ে থাকছে। সেই আলোকে আমরা মনে করি, বিধি-নিষেধ যেভাবে চলছিল সেভাবেই চলা উচিত। এটাই আমরা বলেছি। তা না করলে সংক্রমণ আরো বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে। পরিস্থিতি নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। এটাই হচ্ছে আমাদের গত সোমবারের বৈঠকের মূল কথা।

আমরা যদি বিজ্ঞানের আলোকে বিষয়টির দিকে তাকাই, তবে বলাই যায়, এত দিন বিধি-নিষেধের কারণে মানুষের চলাচল অনেকটাই কম ছিল, মানুষে মানুষে দূরত্ব বজায় ছিল। রেস্তোরাঁয় ভিড়-ঠাসাঠাসি ছিল না।

এর তো একটা সুফল থাকবেই, যা সংক্রমণের বিস্তারের চেইনকে বিচ্ছিন্ন করার কাজ করেছে। কিন্তু এখন ঈদ ঘিরে যে পরিস্থিতি হবে, সেটা গত ১২-১৩ দিনের অর্জনকে ম্লান করে দিতে পারে। ঈদের পরে এর প্রভাব দেখা যাবে হাসপাতালে। তবু সরকার তো অনেক দিক বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়, নিতে হয়।

যারা শর্ত মেনে পরিবহন চালু করার কথা বলে, মার্কেট খোলে তারা তো পরে সেই শর্ত মানে না। বাসের কোনো সিট ফাঁকা রাখে না; যাত্রী, ক্রেতা-বিক্রেতার বেশির ভাগই মাস্ক পরে না, পাড়া-মহল্লা, অলি-গলিতে আড্ডায় মেতে থাকে লোকজন—এই চিত্র সবটাই তো সংক্রমণের বিস্তার বাড়ায়।

এমন অবস্থায় আমার জায়গা থেকে শুধু এটুকুই এখন বলতে পারি, দয়া করে কেউ যেন মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাইরে না যান। যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন। অতি জরুরি কাজ না থাকলে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

কারো মধ্যে ন্যূনতম উপসর্গ দেখা গেলে অবশ্যই টেস্ট করাতে হবে। যে পরিবারে বয়স্ক ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীরা আছে, সেই পরিবারের অন্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

কারণ দেশে করোনায় যারা মারা যাচ্ছে, তারা মূলত হয় বয়স্ক কিংবা কোনো না কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত। ফলে তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব এখন পরিবারের অন্যদের। এই পরিবারগুলোতে যাঁরাই বাইরে যাবেন তাঁদের মনে রাখতে হবে, আপনার কারণেই কিন্তু আপনার পরিবারের বয়স্ক বা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তির বড় কোনো বিপদ হয়ে যেতে পারে।

যে পরিবারগুলোতে মৃত্যু ঘটছে, তারা বুঝতে পারছে এই মহামারির ভয়াবহতা। সামনে কখন কার পরিবার এই বিপদে পড়ে, সেটা কেউ বলতে পারে না। ফলে সতর্কতা ছাড়া আমাদের গতি নেই।

টিকা পেলে টিকা দিতে হবে। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, টিকা দেওয়া হোক বা না-ই হোক, সবাইকেই মাস্ককে এখন বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হবে করোনার বিরুদ্ধে। এর কোনো বিকল্প নেই।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ : কভিড-১৯ মোকাবেলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি

সর্বশেষ

বাংলাদেশে আর্জেন্টাইন ফ্যানদের উল্লাসের ভিডিও পোস্ট করল ফিফা

বাংলাদেশি আর্জেন্টাইন ভক্তদের উল্লাসের ভিডিও পৌঁছে গেছে বিশ্বফুটবলের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা পর্যন্ত। তারা বাংলাদেশি ভক্তদের এই উল্লাসের ভিডিও পোস্ট করেছে টুইটারে।গতকাল রাতে মেক্সিকোকে...

রোলস-রয়েল পুরস্কারের গুজব উড়িয়ে দিলেন সৌদি জাতীয় দলের ফুটবলার

দুবাই: সৌদি আরবের জাতীয় দলের একজন ফুটবলার রোলস-রয়েল পুরস্কারের গুজবকে অস্বীকার করেছেন। বিভিন্ন গনমাধ্যমে গুজব উঠে যে প্রতিটি খেলোয়াড়কে ফিফা বিশ্বকাপ কাতার ২০২২ গ্রুপ...

রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ট্রেনিং সেন্টারে বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ শুরু

নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিরাপদে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। রূপপুর প্রকল্প সাইটে অবস্থিত ট্রেনিং সেন্টারে চলতি মাস থেকে দু’টি গ্রুপ...

আর্টিলারির ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার নতুন যুগে বাংলাদেশ

TRG-300 টাইগার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট/মিসাইল সিস্টেম সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির মধ্যে দিয়ে রাতারাতি আর্টিলারি সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশের। এই সিস্টেমটি যুক্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশের আর্টিলারি হামলার...