সাম্প্রতিক শিরোনাম

ওবায়দুল কাদেরের মুখে প্রতিদিন শুধু বিএনপির আলোচনা কেন?

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মুখে প্রতিদিন শুধু বিএনপির আলোচনা কেন? ওনাদের মতে তো বিএনপি রাজনীতিতে নাই। তাহলে মুখে তাদের সারাক্ষণ বিএনপি কেন? তিনি বিএনপি ছাড়া কথা বলতে পারেন না।

hiastock

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম তরিকুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রত্যেকদিন কথা বলেন। তিনি অত্যন্ত সুবেশী মানুষ। চমৎকার একটি ঘরে, চমৎকার একটি আসনে বসে তিনি কথা বলেন।

আমি শুনেছি তিনি এক সময় নাটক করতেন। তিনি অনেক সুন্দর করে বলেন। তার বক্তব্য একটাই। তার প্রতিপাদ্য একটাই ‘বিএনপি’। বিএনপির এই নাই, ওই নাই এসবই বলতে থাকেন তিনি।

তিনি বলেন, কথায় কথায় ক্ষতাসীনরা বলেন- দেশে বিএনপি নেই, বিএনপির দলের অস্তিত্ব নেই, বিএনপির রাজনীতি বলতে কিছু নেই।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদকের মুখে কেন এত বেশি বিএনপির নাম বলতে হবে। তার মানে বিএনপি আছে, বিএনপিকে তারা ভয় পায়।

তারা জানে এই অবৈধ সরকারকে হটিয়ে একমাত্র বিএনপিই পারে প্রকৃত গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে। তারা বিএনপি নেত্রীকে ভয় পায়, এজন্য তাকে আটক করে রাখা হয়েছে।

খালেদা জিয়াকে আটক করে রেখে দিয়েছেন। কারণ তারা (সরকার) জানে, খালেদা জিয়া বাইরে থাকলে নির্বাচনের আগে যেটা করেছিলেন সেটাও করা সম্ভব ছিল না। গণতান্ত্রিক আন্দোলন যাতে না করতে পারেন সেজন্য তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে।

এক লাখ মামলায় আমাদের নেতাকর্মীদের গুম করে দিয়েছেন, তারপরও কিন্তু বিএনপি থেকে একটি লোকও টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। বিএনপির এই অবস্থানে পৌঁছুতে তরিকুল ইসলাম সাহেবদের অনেক অবদান আছে।

তিনি বলেন, সরকার সিন্ডিকেট তৈরি করছে, যে সিন্ডিকেট সব লুটে নিয়ে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ছে, কৃষকদের কি আয় বেড়েছে? ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যারা তাদের কি আয় বেড়েছে? এই করোনাতে তারা প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছে। বহু মানুষ আজ খেতে পারে না। আপনারা (সরকার) সেই অবস্থা তৈরি করেছেন। এদেশের মানুষকে জিম্মি করেছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে এবং সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীমের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মসিউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন প্রমুখ।

সর্বশেষ খবর

জনপ্রিয় খবর

hiastock