সাম্প্রতিক শিরোনাম

জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আওয়ামী লীগ একের পর এক ভোটে জিতে ক্ষমতায় থাকছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আওয়ামী লীগ একের পর এক ভোটে জিতে ক্ষমতায় থাকছে।

hiastock

আমাদের সরানোর জন্য যত বেশি নাড়াচাড়া করবে আওয়ামী লীগের শিকড় তত বেশি মাটিতে শক্ত ও পোক্ত হবে।

মঙ্গলবার জেলা হত্যা দিবসে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে তিনি এই সভায় যুক্ত হন।

গুগল এডস

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করি বলেই জনগণ আমাদের সমর্থন করে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে জনগণের স্বার্থে কাজ করে, জনগণের কল্যাণে কাজ করে, জনগণের মঙ্গলের জন্য কাজ করে।

এর শুভফলটা জনগণই পায়, জনগণ সেটা খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করে। বরং সুবিধাটা একেবারে গ্রাম পর্যায়ের মানুষের ঘরের দৌরগোড়ায় পৌঁছে যায়। সেই কারণে তারা আমাদের সমর্থন দেয়, সেই কারণে আমরা তাদের সমর্থন পাই।

তিনি বলেন, যখন আমরা ২০০৮ এর পর থেকে সরকারে এসেছি অনেকভাবে চেষ্টা করা হয়েছে, ক্ষমতা উৎখাত করা নানাভাবে- বিডিয়ারের ঘটনা ঘটানো হলো, হেফাজতের ঘটনা ঘটানো, নানা ধরনের ঘটনা, বহু রকমের কারসাজি ঘটানোর চেষ্টা, কিন্তু জনসমর্থন না থাকলে- ষড়যন্ত্র করে খুন করে ফেলা যায়, হত্যা করে ফেলা যায়।

কিন্তু জনসমর্থন না থাকলে ক্ষমতায় গিয়ে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না, মানুষের কল্যাণও করতে পারে না, এ হচ্ছে বাস্তবতা। আওয়ামী লীগ টিকে আছে শুধু জনগণের জন্য কাজ করার মধ্য দিয়ে। কারও দয়া ভিক্ষে করে না, কারও করুণা ভিক্ষে করে না।

এক যুগ আগে দেশে জরুরি অবস্থা জারির জন্য বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসকে দায়ী করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও তাদের অপকর্মের কারণে এদেশে ইমার্জেন্সি জারি হয়। ২০০৭ এ আসে সেই ১/১১ সরকার, তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তারা খালেদা জিয়ারই পরিচিত এবং তাদেরই হাতে তৈরি।

ফখরুদ্দীন সাহেব ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে কাজ করতেন, তাকে নিয়ে এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হল। সেখান থেকে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান করা হল।

সেনাবাহিনীতে ৯ জন জেনারেলকে ডিঙিয়ে জেনারেল মইনকে সেনাপ্রধান করা হয়েছিল। কাজেই সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার খালেদা জিয়ারই ছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা শুধু এ দিবসটা পালন নয়, সেই সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এ কথা মনে রাখতে হবে, যে সমস্ত সন্ত্রাসী চক্র, খুনি চক্র, আমাদের স্বাধীনতাবিরোধী চক্র তারা কিন্তু বসে নেই। তাদের চক্রান্ত চলতেই থাকবে, যত ভাল কাজই আমরা করি না কেন তাদের মুখ থেকে ভালো কথা বের হয় না।

কারণ তারা তো বাংলাদেশের মানুষের কথা ভাবে না। ১৫ আগস্টের ঘটনা বা ৩ নভেম্বরের ঘটনার পরে তারা এ দেশে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে ক্ষমতাকে তারা ভোগ করবে সেটা তারা পারেনি জনগণের কারণে। এখানেই তাদের ক্ষোভ। তাদের কাছে ক্ষমতা ছিল ভোগের বস্তু।

সরকারের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোবাইল ফোন বাংলাদেশে ছিল না। সেই ব্যবসাটা আমি উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম সকলের কাছে। ড. ইউনূসকেও একটা মোবাইল ফোনের ব্যবসা দিয়েছিলাম।

সেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আমাদের ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং গ্রামীণফোনের ড. ইউনূস তারা গেলেন রাজনৈতিক দল করতে।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ৭০ জনের তালিকা তৈরি করে দল গঠন করতে গেলেন। জনগণের সাড়াও পেলেন না। দল গঠন করতে পারল না।

জেল হত্যা দিবসের এই সভায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, আব্দুল মতিন খসরু, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ খবর

জনপ্রিয় খবর

hiastock