সাম্প্রতিক শিরোনাম

দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাই আমি পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি: স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, দুর্নীতি যেই করুক আমি তার শাস্তি চাই, দুদককে আমি সহযোগিতা করব। যেহেতু আমার সময়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাই আমি পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে।

hiastock

করোনাকালীন বিভিন্ন স্বাস্থ্যসামগ্রী কেনার বিষয়ে অভিযোগ ওঠায় দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। সাবেক মহাপরিচালক হিসেবে আমি কী জানি তার জন্য দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা আজ আমাকে আসার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। আমি যা জানি তা তাদের বিস্তারিত বলেছি। তদন্তাধীন বিষয় সম্পর্কে এই মুহূর্তে আমার পক্ষে এর বেশি কিছু আপনাদের বলা সম্ভব নয়।

বুধবার দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। বুধবার তলবি নোটিশের জবাব দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে আসেন তিনি।

২০১৬ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলাম। আমি লক্ষ্য করছিলাম যে, আমাকে নিয়ে অপপ্রচারের অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। পদ আঁকড়ে রাখা আমার কাছে সম্মানের বিষয় নয়। তাই বিবেক তাড়িত হয়ে গত ২১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করি।

আমি একজন কঠোর পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান, সৎ, সজ্জন ও মেধাবী কর্মকর্তা হিসেবে সারাজীবন কাজ করেছি। আমি একজন অহংকারমুক্ত ও সরল এবং সজ্জন ব্যক্তি। জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আমার পর্যাপ্ত জ্ঞান অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতা আছে।

করোনার মতো মহাদুর্যোগে যাতে লাখ লাখ মানুষের জীবনহানি না ঘটে সেজন্য আমার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা বিবেকবোধ ও সদিচ্ছা থেকে নিজের জীবনকে তুচ্ছ বলে মনে করে কাজ করেছি।

সকাল ১০টায় কভিড সুরক্ষা সরঞ্জাম কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদক পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী।

অন্য সদস্যরা হলেন দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান।

সর্বশেষ খবর

জনপ্রিয় খবর

hiastock