সাম্প্রতিক শিরোনাম

নিম্ন আদালতে বিচার সম্পন্ন না হওয়ায় হাইকোর্ট বিস্ময় প্রকাশ

৩২ বছর আগে পুরান ঢাকায় সংঘটিত সীমা মোহাম্মদী হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে বিচার সম্পন্ন না হওয়ায় হাইকোর্ট বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

hiastock

হাইকোর্ট মামলাটির বিচার তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে যে সাক্ষীর (চিকিৎসক) জন্য মামলাটির বিচার আটকে আছে তাঁর সাক্ষ্য ছাড়াই অন্যান্য নথিপত্রের ভিত্তিতে বিচার সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর পরও এ সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে বিচারকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গুগল এডস

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। সীমা হত্যা মামলার বিচার নিম্ন আদালতে ঝুলে থাকা নিয়ে গত ৬ অক্টোবর পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন আদালত।

প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

গতকাল প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনার পর বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর মতামত জানতে চান। জবাবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বাপ্পী বলেন, ‘মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে আপনারা আদেশ দিতে পারেন।

এ সময় আদালত বলেন, একটি মামলা বছরের পর বছর ধরে পড়ে থাকবে, বিচার হবে না, তা তো হতে পারে না। এরপর আদালত তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির আদেশ দেন।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পুরনো ঢাকার জগন্নাথ সাহা রোডে ১৯৮৮ সালের ২৬ এপ্রিল খুন হয় সীমা মোহাম্মদী (২০)। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আহমদ ওরফে আমিন নামে এক যুবককে আসামি করে লালবাগ থানায় মামলা করেন সীমার মা ইজহার মোহাম্মদী।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৫ জুন একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। কিন্তু আসামি পলাতক থাকায় ১৯৯৯ সালের ২২ জুন তাঁকে হাজিরের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

এরপর আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০০১ সালের ২৯ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিচারিক আদালত।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ও ময়নাতদন্তকারী চিকিত্সকের অবহেলার কারণে বারবার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের তৎকালীন প্রভাষক আনোয়ার হোসেন সাক্ষ্য দিতে অদ্যাবধি আদালতে হাজির হননি।

ফলে ১৯ বছরে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১১২ বার তারিখ পড়েছে। পাশাপাশি ওই আদালতের ১১ জন বিচারক বদল হয়েছেন। এরই মধ্যে মামলার বাদীও মারা গেছেন।

এদিকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য পরবর্তী তারিখ আগামী ১৮ নভেম্বর ধার্য রয়েছে বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ

২৮তম রমজানেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ

গতকাল ১১ই মে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে টানা ২৮তম দিনের মতো ইফতার বিতরণ করেন সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হকের নেতৃত্বে বেসরকারি...

পাবনায় ভিক্ষুক হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার

গত ০৮-০৫-২০২১ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ, আনুমানিক ১০.১৫ ঘটিকায় আলেয়া @ আল্লাদি (৫৫), স্বামী মৃত- শুকুর খন্দকার, বর্তমান স্বামী-হেলাল খান, ২। লিপি (২৫), পিতা হেলাল খান,...

পাবনার মোটরসাইকেল চোর চক্রের দলনেতা গ্রেফতার

গতকাল পাবনা সদর থানা এলাকার মোটরসাইকেল চোর চক্রের একাংশের দলনেতা মোঃ আরফান আবীর @ আকাশ (২৩) পিতা-মোঃ জিহাত হোসেন জলিল সাং- গোবিন্দ থানা ও...

ঈশ্বরদীতে পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে ব্যারিস্টার জিরুর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

কিছুক্ষন আগে ঈশ্বরদী নতুন বাসটার্মিনালে সনি কাউন্টার এর সামনে দূরপাল্লার পরিবহন শ্রমিকদের করোনাকালীন দূর্ভোগের কথা বিবেচনা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও পাবনা...