আল-জাজিরার প্রতিবেদন: সত্য-মিথ্যা জনগণ বিচার করবে বললেন প্রধানমন্ত্রী

আল-জাজিরার প্রতিবেদন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার কোনো প্রতিক্রিয়া নাই, আমার কোনকিছু বলারও নাই। দেশের মানুষই বিচার করে দেখবে যে, এটা কতটুকু সত্য, কতটুকু মিথ্যা।

hiastock

স্বল্পোন্নত দেশ হতে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে (ভার্চুয়ালি) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।


শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন শেখ হাসিনা। ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন’ শীর্ষক আল-জাজিরার প্রতিবেদন বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার কোনো প্রতিক্রিয়াও নাই, আমার কোনকিছু বলারও নাই। কারণ একটা চ্যানেল কী বলছে না বলছে, কী করছে না করছে সেটা দেশবাসী বিচার করে দেখবে।

গুগল এডস

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষই বিচার করে দেখবে যে, এটা কতটুকু সত্য, কতটুকু মিথ্যা, কতটুকু বানোয়াট। আর কী উদ্দেশ্যে তারা করছে। সেটাও বড় কথা। শেখ হাসিনা বলেন, কোন চ্যানেল কী বললো না বললো—ওটা শুনে তো আর কারও রাজনীতি না। দেশের মানুষের জন্য কতটুকু করলাম সেটাই বড় আমার রাজনীতি। যারা করতেছে করতে থাকুক, বলতে থাকুক, বলাটাই তো তাদের কাজ। আর জনগণের কাজ করা এটা আমাদের কাজ।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি চিন্তার কিছু নেই। দেশবাসীকে বলবো—চিন্তার কিছু নেই। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। এগুলো মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়ার সে সক্ষমতা আমাদের আছে, জনগণের আছে। কাজেই এত দুঃশ্চিন্তা করার কিছু নেই।
সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যারা চায়নি, যারা জাতির পিতাকে হত্যা করেছে, যারা গ্রেনেড হামলা করে আমাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে। যারা এই দেশটাকে অস্ত্র চোরাকারবারি, ড্রাগ চোরাকারবারি, দুর্নীতির একটা আখড়ায় পরিণত করে নিজেদের ভাগ্য গড়তে ব্যস্ত ছিল তারা বাংলাদেশের উন্নতিটা মানবে কীভাবে?


তিনি বলেন, তাদের তো চেষ্টাই থাকবে কীভাবে বাংলাদেশের বদনাম করতে, বাংলাদেশের দুর্নাম করতে—সেটাই আমরা দেখতে পাচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা, যুদ্ধাপরাধী, দুর্নীতি-লুটপাটে যারা জড়িত তাদের বিচার হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত, তাদের দোসর, তাদের পরিবার—তারা কি চুপ করে বসে থাকবে নাকি? আমরা দেখি তাদেরও কিছু ইন্ধন আছে।

সেই সাথে তো বাংলাদেশের রাজনীতির একটা মিথস্ক্রিয়া দেখা যায় যে, আলট্রা লেফট-আলট্রা রাইট সময় সময় এক হয়ে যায়। আমাদের অপরাধটা কী সেটাই তো আমার বড় প্রশ্ন। তিনি বলেন, সরকার হিসেবে আমরা দেশের জন্য যেভাবে কাজ করেছি, এগিয়ে নিয়ে গেছি ১২ বছরের মধ্যে। আপনারা একবার চিন্তা করে দেখুন—২০০৮ সালে কী অবস্থা ছিল, ২০০৭ সালে কী অবস্থা ছিল বা ২০০১ সালের থেকে সেই নির্বাচনের সময় থেকে ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশে কী পরিস্থিতি ছিল, একবার স্মরণ করেন। আপনারা সাংবাদিকরা স্মরণ করেন। দক্ষিণাঞ্চলে তো সাংবাদিকরাই যেতে পারতো না।


গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

সর্বশেষ

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ থেকে শিশুশ্রম নিরসন সম্ভবঃ প্রধানমন্ত্রী

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ থেকে শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,আমরা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তথা শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য...

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত

করোনা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি না হওয়ায় দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।শনিবার (১২ জুন) শিক্ষামন্ত্রণালয়ের...

৩ আসনের উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি যারা

ঢাকা-১৪, সিলেট-৩ ও কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন যথাক্রমে আগা খান মিন্টু, হাবিবুর রহমান ও আবুল হাসেম খান। শনিবার (১২ জুন) গণভবনে...

বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না এএসআই সালাউদ্দিনের!

ইরে-বাবা, কয়রে বাবা, বাবা তুই কই। তুইতো বাড়ি আসবি বলেছিলে, লাশ হয়ে ফিরলি কেন? আমিতো তোকে লাশ হয়ে দেখতে চাইনি। শুক্রবার (১১ জুন) রাত...