সাম্প্রতিক শিরোনাম

একাত্তর-পঁচাত্তরের হত্যাকারীরা বারবার ছোবল মেরেছে: শিক্ষামন্ত্রী ড. দিপু মনি

কুবি প্রতিনিধি:

hiastock

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিলো শুধু ক্ষমতার পালা বদলের জন্য নয়, একজন নেতাকে শুধু হত্যা করার জন্য নয়। বরং বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে হত্যা করার জন্য। যে আদর্শের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ তৈরি হয়েছিলো- অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন সমাজ তৈরীর জন্য, সেটিকেই ধ্বংস করে পাকিস্তানি ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা হিসেবেই নৃশংসতম হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছিলো সেদিন। একাত্তরের পরাজিত শক্তি দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা এই হত্যাকান্ডটি ঘটায়। তাই শুধু কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্য এই হত্যাকান্ড ঘটায় বললে যারা ষড়যন্ত্রকারী, বাংলাদেশকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রকারী তাদেরই আড়াল করা হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ডঃ দিপু মনি।

গুগল এডস

তিনি আরও বলেন- বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে নির্বংশ করার চেষ্টা এবং ১৩রা নভেম্বর তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নেয়ার যে অপচেষ্টা হয়েছিলো তার অংশ হিসাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে সে সময় পাকিস্তানিকরণ হয়েছিলো। হত্যা, ক্যু আর ষড়যন্ত্রের অপরাজনীতি চলেছে দীর্ঘসময়।

ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সজাগ থাকতে সতর্ক করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে আমরা আবার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধানের মূল চার নীতি ধারণ করে আমরা আবার এগিয়ে চলেছি। আমাদের এই এগিয়ে চলার পথে আমাদের সবসময় সজাগ থাকতে হবে। কারণ যারা একাত্তরের হত্যাকারী, তারাই পঁচাত্তরের হত্যাকারী। এই একাত্তর পঁচাত্তরের হত্যাকারীরা বারবার ছোবল মেরেছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে করতে তারা কমপক্ষে ২১বার হামলা চালিয়েছে। ২০০৪এর ২১আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের হত্যাকারীরা একই। তারা এখনও বসে নেই, তারা এখনও ষড়যন্ত্র করছে। সুযোগ পেলেই ছোবল মারবে।

১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসকে কেন্দ্র করে ২৯ আগস্ট আয়োজিত এই আলোচনা সভায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন।

এছাড়াও আলোচনায় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার ড. মো: আসাদুজ্জামান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু তাহের, প্রক্টর কাজী মো: কামাল উদ্দীনসহ বিভিন্ন বিভাগের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ খবর

জনপ্রিয় খবর

hiastock