২৩ জন বিদ্রোহী নেতার চিঠির খবর প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেসের অন্দরে অনেকটা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অবস্থা। তবে রোববার চিঠির কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গান্ধী পরিবারের প্রতি নিজেদের আনুগত্য প্রকাশ করেছেন কংগ্রেসের প্রায় সব স্তরের নেতা। এছাড়া ভারতের চার কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে রাহুল-সোনিয়াকে সমর্থন করেছেন। তাদের একটাই কথা, রাহুল গান্ধী যদি দায়িত্ব নিতে রাজি থাকেন তাহলে তাকেই দায়িত্ব দেয়া হোক। আর তিনি যদি নেহাত রাজি না থাকেন, তাহলে কাজ চালিয়ে যান সোনিয়া।
কংগ্রেসে সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা চেয়ে ভারতের বিরোধীদল নেত্রী সোনিয়া গান্ধী চিঠি দিয়েছেন। এ নিয়ে ওয়ার্কিং কমিটির জরুরি সভায় বসেছে দলটি। সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহমোহন সিংসহ দলের শীর্ষ ২৩ নেতা সোনিয়াকেই দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেন। আর যদি নেহাতই সোনিয়া রাজি না হন, তাহলে রাহুল গান্ধীকে ফের ফিরিয়ে আনার দাবি জানান অন্য কংগ্রেস নেতারা।
সোমবার সকালে শুরু হওয়া সভা শেষে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলের লোকসভার সব সাংসদেরও একই বক্তব্য। শুধু যে দুজন ওই চিঠিতে সই করেছেন, সেই মনীশ তিওয়ারি এবং শশী থারুর ছাড়া বাকি সকলেই চাইছেন নেতৃত্ব থাক গান্ধী পরিবারের হাতে।
এদিকে কংগ্রেসের বেশিরভাগ নেতার ধারণা, গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ সভাপতি হলে দলে ভাঙন আরও বাড়বে। এদিকে সোমবার ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রাহুল গান্ধী দাবি করেন, যে সময় সোনিয়া অসুস্থ ছিলেন, যে সময় কংগ্রেস রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের সরকার বাঁচানোর জন্য লড়াই করছে, তখন কেন এই চিঠি লেখা হল। যারা চিঠি লিখেছে, তাদের সঙ্গে নিশ্চয়ই বিজেপির যোগাযোগ আছে।